উচ্চ রক্তচাপের কারণ : উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয়

উচ্চ রক্তচাপের কারণ : উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় :

মানব দেহের স্বাভাবিক রক্তচাপ সিস্টোলিক ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০। কোনো ব্যক্তির রক্তচাপ যখন নিয়মিত এই স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি (সিস্টোলিক ১৪০, ডায়াস্টোলিক ৯০) থাকে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলা হয় 

উচ্চ রক্তচাপের কারণ:
অথবা হাই প্রেসারের কারণ :
১) অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা।
২)।পরিবারে কারও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে।
৩) সাধারণত মানুষের ৪০ বছরের পর থেকে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে।
৪) দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা হলে
শারীরিক ও মানসিক চাপ থাকলে।
৫) নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম না করলে।
৬) প্রতিদিন ৬ গ্রামের বেশি লবণ খেলে।
৭) ধূমপান বা মদ্যপান বা অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাদ্য/পানীয় খেলে।

উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ :
অথবা হাই প্রেসারের লক্ষণ :
ঘাড় ব্যাথা
উচ্চ রক্তচাপের উল্লেখ যোগ্য লক্ষণ হল ঘাড় ব্যাথা করা।বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ঘাড় ব্যাথার কারন হল উচ্চ রক্তচাপ। ঘাড় ব্যাথা পরিলক্ষিত হলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করুন।

মাথা ব্যাথা
মাথা ব্যাথা উচ্চ রক্তচাপের উল্লেখ যোগ্য লক্ষণ। এই ব্যাথা সাধারণত মাথার পিছনের দিকে হয়ে থাকে।সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে ব্যাথা শুরু হয় কয়েক ঘন্টা স্থায়ী হয়ে ব্যাথা আবার চলে যায়।

মনোযোগের অভাব
কাজে মনোযোগ না বসলে বা কাজ করতে গিয়ে প্রায়শই যদি মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তাহলে এটি উচ্চ রক্ত চাপের লক্ষণ ও ধরা যায়।

মাথা ঘুরা
প্রতিনিয়ত মাথা ঘুরাও রক্তচাপের একটি লক্ষণ হতে পারে।

নাক দিয়ে রক্ত পড়া
কোন কারণে ব্যাথা পাওয়া ছাড়া যদি কারো নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হয় সেটি একটি শারিরিক অসুস্থতার লক্ষণ। তবে এর জন্যে উচ্চ রক্তচাপ দায়ী থাকতে পারে।

বুক ধড়ফড় করা
অনেক সময় হঠাৎ করে বুক ধড়ফড় করে। এটি নিয়মিত হলে আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে এটি হাই প্রেসারের কারণ হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় :
অথবা হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে করণীয় : 
১) উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ডাক্তারের পরামর্শের পাশাপাশি একটি সুপরিকল্পিত খাদ্যতালিকা অনুসরণ করা খুবই জরুরি।
২) নিয়মিত রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
৩) অতিরিক্ত লবণ ও চিনিজাতীয় খাবার কম খেতে হবে।
৪) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৫) তেল ও চর্বিজাতীয় খাবার যথাসম্ভব কম খেতে হবে।
৬) সোডিয়ামবহুল খাবার ও টিনজাত খাবার কম খেতে হবে।
৭) পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে।
৮) মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে।
৯)প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে।
১০)ধূমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ